জেনার ডায়োড় কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
-
ক
১৯৩৪ সালে
-
খ
১৯৪৩ সালে
-
গ
১৯৪৮ সালে
-
ঘ
১৯৫০ সালে
জেনার ডায়োড হলো একটি বিশেষ প্রকারের ডায়োড যা সাধারণ ডায়োডের মতো তড়িৎ প্রবাহকে শুধুমাত্র সম্মুখ দিকে প্রবাহিত করে না, এটা বিপরীত দিকেও প্রবাহিত করে। যদি বিভবটা ব্রেকডাউন ভোল্টেজের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়; এই ভোল্টেজকে জেনার ভোল্টেজ বলা হয়ে থাকে। এই যন্ত্রের নাম রাখা হয়েছে এই বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যের আবিষ্কারক ক্লারেন্স জেনারের নাম অনুসারে।
জেনার ডায়োড আসলে ব্যবহৃত হয় ভোল্টেজ রেফারেন্স এবং শান্ট রেগুলেটর হিসেবে; যা বিভবকে পরিচালনা করে একটি ছোট্ট বর্তনীতে। যখন এটা একটি পরিবর্তনশীল বিভবের উৎসের সাথে প্যারালাল ভাবে বিপরীত ঝোঁকে ব্যবহার করা হয় এবং যখন ভোল্টেজ ডায়োডের বিপরীত ব্রেকডাউন ভোল্টেজে গিয়ে পৌঁছে তখন জেনার ডায়োড তড়িৎ পরিবহন শুরু করে। ডায়োডের তুলনামূলকভাবে কম ইম্পিডেন্স ডায়োডের বিভবকে সেই মানে রাখে।
একটি p-n জংশনের দুই প্রান্তে ভোল্টেজ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায়। ভোল্টেজ পরিবর্তনের সাথে তড়িৎ প্রবাহের যে পরিবর্তন ঘটে লেখচিত্রের মাধ্যমে তার উপস্থাপনকে p-n জংশনের বৈশিষ্ট্য লেখ বা ডায়োডের বৈশিষ্ট্য লেখ বা I-V লেখ বলে। চিত্র ১০.১৫-এ প্রদর্শিত বর্তনীতে রয়েছে একটি জংশন ডায়োড, তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের জন্য একটি মিলিঅ্যামিটার (mA) এবং ভোল্টেজ মাপার জন্য একটি ভোল্টমিটার (V), তড়িচ্চালক শক্তির উৎস (E), পরিবর্তনশীল রোধ (Rh) ইত্যাদি ।
পরিবর্তনশীল রোধের মান বদলিয়ে বর্তনীতে ভোল্টেজের মান পরিবর্তন করা হয়। প্রযুক্ত ভোল্টেজ ও প্রাপ্ত তড়িৎ প্রবাহের লেখচিত্র আঁকলে তা চিত্র ১০.১৬ এর মতো হবে।
ডায়োডের বৈশিষ্ট্য লেখ থেকে দেখা যায় যে, সম্মুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে স্বল্প ভোল্টেজ পার্থক্যের জন্য তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায় কিন্তু বিমুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে ভোল্টেজের পার্থক্য যতই বাড়ানো হোক না কেন তড়িৎ প্রবাহের মানের পরিবর্তন খুবই কম সুয়; এমনকি প্রায় স্থির থাকে। এই অবস্থায় ভোল্টেজ আরো বাড়াতে থাকলে শেষে এক সময় হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায়, যেন মনে হয় p-n জংশনের বিভব বাধা একেবারে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিমুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে যে ভোল্টেজের জন্য এরূপ ঘটে তাকে জেনার ভোল্টেজ বা জেনার বিভব (Zener Voltage) বলে। 1934 সালে জেনার কর্তৃক আবিষ্কৃত ডায়োডের এই ক্রিয়াকে জেনার ক্রিয়া বলে। এই ভোল্টেজ প্রয়োগে জংশন ডায়োডের কার্যক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। এজন্য এই ভোল্টেজকে বিনাশী ভোল্টেজও বলে।
গতীয় রোধ : যে বিভব পার্থক্যে p-n জংশন কাজ করে তাকে গতীয় রোধ বলে। p- জংশনে প্রযুক্ত বিভ পার্থক্যে ক্ষুদ্র পরিবর্তন V এর জন্য আনুষঙ্গিক তড়িৎপ্রবাহের ক্ষুদ্র পরিবর্তন l এর অনুপাতকে গতীয় রোধ বলে । গাণিতিকভাবে গতীয় রোধ R হলো,
Related Question
View All-
ক
শূন্য বায়াস
-
খ
পশ্চাৎমুখী বায়াস
-
গ
নিরপেক্ষ বায়াস
-
ঘ
সম্মুখ বায়াস
-
ক
বিপরীত ঝোকে
-
খ
সমান্তরাল
-
গ
সম্মুখ ঝোকে
-
ক
ইলেকট্রনের তাড়ন বেগের কারণে
-
খ
ইলেকট্রনের ব্যাপনের কারণে
-
গ
A এবং B উভয় কারণে
-
ঘ
কোনটিই নয়
-
ক
সম্মুখ ঝোঁকে
-
খ
সমান্তরালে
-
গ
শ্রেণিতে
-
ঘ
বিপরীত ঝো
-
ক
রেডিওতে
-
খ
ক্যামেরায়
-
গ
টেপরেকর্ডারে
-
ঘ
টেলিভিশনে
-
ক
8 V
-
খ
10 V
-
গ
7 V
-
ঘ
0.7 V
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন